অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ঘোষণা করেছেন যে রাজ্য সরকার স্থায়ী সত্ৰ আয়োগ গঠন করবে, যা বৈষ্ণব মঠগুলির (সত্ৰ) সুরক্ষা ও পুনরুজ্জীবনের জন্য কাজ করবে। এই সিদ্ধান্ত এসেছে অস্থায়ী সত্ৰ আয়োগের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর, যেখানে ভূমি দখল ও প্রশাসনিক সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
🔴 প্রধান বিষয়বস্তু:
- স্থায়ী সত্ৰ আয়োগ আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা পাবে, যা সত্ৰগুলির দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।
- ২৫ বছরের ভিশন পরিকল্পনা তৈরি করা হবে, যা এই ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানগুলির কাঠামোগত সংস্কার করবে।
- ২০২১ সালে গঠিত অস্থায়ী আয়োগ ১২৬টি সত্ৰ পরিদর্শন করেছে, যেখানে ভূমি দখলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে।
- মুখ্যমন্ত্রী সত্ৰগুলির সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, যে শ্রীমন্ত শঙ্করদেবের নব-বৈষ্ণবধর্ম অসমের আধ্যাত্মিক পরিচয় গড়ে তুলেছে।
📢 মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বক্তব্য:
“সত্ৰগুলি অসমের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের সরকার তাদের ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তাদের শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
⚠️ কৌশলগত প্রভাব:
- এই উদ্যোগ অসমের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে শক্তিশালী করবে, যা বৈষ্ণবধর্মের প্রসার নিশ্চিত করবে।
- সরকার সত্ৰগুলিকে ভূমি দখল থেকে রক্ষা করতে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে, যাতে তারা সমাজে তাদের ঐতিহ্যবাহী ভূমিকা পালন করতে পারে।
👉 আপনার মতামত কী? স্থায়ী সত্ৰ আয়োগ কি অসমের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য রক্ষায় কার্যকর হবে? কমেন্টে জানান!
🔴 এই পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে সবাই সচেতন থাকে! 🚀🔥
