অসমে নতুন টোল গেট ঘিরে জনরোষ, সাধারণ যাত্রীরা পড়তে পারেন আরও বড় আর্থিক চাপে

অসমের উপরের অংশে দুটি নতুন টোল প্লাজা চালুর সিদ্ধান্তে রাজ্যজুড়ে ছড়িয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও জনরোষন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (NHAI)-র এই পদক্ষেপকে সাধারণ মানুষ “অসংবেদনশীল ও সময়ের অপোযোগী” বলে আখ্যা দিয়েছেন, বিশেষ করে যখন রাজ্যজুড়ে চলছে বন্যা, মূল্যবৃদ্ধি ও আর্থিক অনিশ্চয়তা

📍 কোথায় বসছে নতুন টোল গেট?

  • রঙামাটি ফি প্লাজা, NH-37, ডেরগাঁও (গোলাঘাট জেলা)
  • রতোৱা ফি প্লাজা, NH-15, জিনজিয়া (বিশ্বনাথ জেলা)

💸 কেন ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ?

  • টোল হার বেশি: রঙামাটিতে হালকা গাড়ির জন্য ₹৮০ (ওয়ান ওয়ে), রতোয়ায় ₹২০০ থেকে শুরু
  • রাস্তার অবস্থা খারাপ: বহু এলাকায় এখনও গালিয়া টোল গেটের মতো গর্তে ভরা রাস্তা, যেখানে টোল দিলেও উন্নয়ন নেই
  • জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে: জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ায় ট্রান্সপোর্ট খরচও বাড়বে, যা প্রভাব ফেলবে সাধারণ যাত্রী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উপর
  • বন্যা পরিস্থিতি: বহু এলাকা এখনও কৃত্রিম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত, এই সময়ে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ “অমানবিক” বলে মনে করছেন বাসিন্দারা

🧾 স্বচ্ছতার অভাব ও স্থানীয় উন্নয়নের প্রশ্ন

স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, টোল থেকে আদায় হওয়া অর্থ কীভাবে ব্যবহার হবে তা স্পষ্ট নয়। রাস্তার মান উন্নয়ন বা গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ছাড়াই টোল বসানো “অন্যায্য” বলে মনে করছেন অনেকে।

“আমরা দিনে এক বেলাও খেতে পারি না, আর সরকার আমাদের ₹৮০ করে টোল দিতে বলছে,”—বলেছেন বিশ্বনাথ জেলার এক বাসিন্দা।

🛣️ সরকার কী বলছে?

NHAI জানিয়েছে, এই টোল আদায় দীর্ঘমেয়াদি রাস্তাঘাট উন্নয়নের জন্য জরুরি। তবে স্থানীয় বাস্তবতা ও জনসাধারণের চাপ উপেক্ষা করে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশ্লেষকরা।

অসমের অবকাঠামো ও জনস্বার্থ সংক্রান্ত আরও আপডেটের জন্য আমাদের সঙ্গে থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *