পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে ওবিসি (অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি) মর্যাদা নির্ধারণে ধর্ম নয়, বরং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচিত হবে।
🔴 প্রধান বিষয়বস্তু:
- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করে জানান, “আমাদের সরকার ধর্মের ভিত্তিতে নয়, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর বাস্তব পরিস্থিতির ভিত্তিতে ওবিসি তালিকা তৈরি করেছে।”
- পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভা নতুন ৭৬টি জনগোষ্ঠীকে ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অনুমোদন দিয়েছে, যা আগের ৬৪টি জনগোষ্ঠীর সাথে যুক্ত হবে।
- ২০২৪ সালে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে পূর্ববর্তী ওবিসি তালিকা বাতিল করা হয়েছিল, যার বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে।
- সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য সরকার তিন মাসের মধ্যে নতুন ওবিসি তালিকা প্রস্তুত করতে সমীক্ষা চালিয়েছে, যেখানে ১৪০টি জনগোষ্ঠী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—৪৯টি ওবিসি-এ এবং ৯১টি ওবিসি-বি।
- বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন, দাবি করেছেন যে হিন্দু সম্প্রদায়কে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
📢 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য:
“আমাদের সরকার বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার মাধ্যমে ওবিসি তালিকা তৈরি করেছে। ধর্মের ভিত্তিতে নয়, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর বাস্তব পরিস্থিতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
⚠️ কৌশলগত প্রভাব:
- পশ্চিমবঙ্গে ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে, যেখানে বিজেপি ও তৃণমূল মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।
- নতুন তালিকা অনুযায়ী, রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হবে, যা অনগ্রসর শ্রেণির জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
👉 আপনার মতামত কী? ওবিসি তালিকা কি শুধুমাত্র পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ভিত্তিতে হওয়া উচিত? কমেন্টে জানান!
🔴 এই পোস্টটি শেয়ার করুন এবং সবাইকে আপডেট রাখুন! 🚀🔥
