ত্রিপুরা বিধানসভায় সহকারী অধ্যাপক নিয়োগে বয়সসীমা তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। তিনি বলেন, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বহু প্রার্থী শুধুমাত্র বয়সসীমার কারণে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা সংবিধানের সমান সুযোগের নীতির পরিপন্থী।
📌 মূল দাবি ও প্রেক্ষাপট:
- বর্তমানে ত্রিপুরায় সহকারী অধ্যাপক নিয়োগে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৪০ বছর, যা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় কম।
- বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বলেন, “UGC-এর নিয়ম অনুযায়ী যোগ্যতা থাকলে বয়সসীমা বাধা হওয়া উচিত নয়। এটি প্রতিভাবান প্রার্থীদের প্রতি অবিচার।”
- তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে লিখিতভাবে আবেদন করেছেন, যাতে বয়সসীমা বাতিল বা শিথিল করা হয়।
- একইসঙ্গে তিনি ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে স্বচ্ছতা ও স্থানীয় প্রার্থীদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
🗣️ বিধায়কের বক্তব্য:
“ত্রিপুরার বহু মেধাবী প্রার্থী শুধুমাত্র বয়সের কারণে সুযোগ পাচ্ছেন না, অথচ বাইরের রাজ্য থেকে কম যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরা নিয়োগ পাচ্ছেন। এটি রাজ্যের যুবসমাজের প্রতি অবিচার।”
⚖️ রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া:
- শিক্ষিত বেকার যুবকদের মধ্যে এই দাবির প্রতি ব্যাপক সমর্থন দেখা গেছে, এবং সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
- শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বয়সসীমা শিথিল হলে অভিজ্ঞ ও যোগ্য প্রার্থীদের উচ্চশিক্ষা খাতে অবদান রাখার সুযোগ বাড়বে।
👉 এই দাবি বাস্তবায়িত হলে ত্রিপুরার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে, এবং স্থানীয় মেধাবীদের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি হবে।
🔁 এই প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন যাতে সবাই শিক্ষাক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের গুরুত্ব বুঝতে পারে! 🚀📚
