ত্রিপুরা সরকার সৌরশক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে, যেখানে সব সরকারি ভবনকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথ জানিয়েছেন, ১৩,৫০০-এর বেশি পরিবার ইতিমধ্যেই সৌরশক্তি ব্যবহারের জন্য নিবন্ধন করেছে এবং ৫০,০০০ পরিবারকে ২০২৭ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
🔴 প্রধান তথ্য:
- PM Surya Ghar Muft Bijli Yojana-এর আওতায় ২৬৬টি পরিবার সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে, যার মধ্যে ১৮৪টি পরিবার সরকারি ভর্তুকি পেয়েছে।
- ৭০ জন গ্রাহক ইতিমধ্যেই ₹৩০,৯০২ পর্যন্ত সুবিধা পেয়েছেন, যা বিদ্যুৎ বিল শূন্য করতে সাহায্য করছে।
- ত্রিপুরার বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩৭২ মেগাওয়াট, যা রাজ্যের ৩৭০ মেগাওয়াট চাহিদার চেয়ে বেশি।
📢 বিদ্যুৎমন্ত্রীর বক্তব্য:
- “ত্রিপুরায় সৌরশক্তির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। আমরা চাই সব সরকারি ভবন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার আওতায় আসুক।”
- তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ২০২৭ সালের মধ্যে ৫০,০০০ পরিবারকে সৌরশক্তির আওতায় আনা।”
⚠️ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:
- ত্রিপুরা সরকার সৌরশক্তি ব্যবহারের জন্য ₹৮৫.৪ মিলিয়ন ADB ঋণ পেতে চলেছে, যা পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় হবে।
- বিদ্যুৎ চুরির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যেখানে ১০,৭৭৯টি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
👉 আপনার মতামত কী? ত্রিপুরার সৌরশক্তি বিপ্লব কি রাজ্যের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে সাহায্য করবে? কমেন্টে জানান!
🔴 এই পোস্ট শেয়ার করুন, যাতে সবাই ত্রিপুরার নবায়নযোগ্য শক্তি উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে পারে! 🚀🔥
