ত্রিপুরার ধলাই জেলার মসজিদপাড়া এলাকার বাসিন্দা শরিফুল মিয়া-এর নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিয়ে তার পরিবার গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
🔴 প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- ২৬ বছর বয়সী শরিফুল মিয়া একজন ইলেকট্রিশিয়ান ছিলেন, যিনি একজন ২০ বছর বয়সী নারীর সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন।
- নারীর কাজিন দীবাকর সাহা এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি এবং শরিফুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
- ৮ জুন রাতে দীবাকর সাহা শরিফুলকে উপহার দেওয়ার নাম করে ডেকে নিয়ে যান, এবং তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।
- পরদিন দীবাকরের বাবা-মা একটি গাড়িতে করে শরিফুলের মৃতদেহ নিয়ে গন্ডাচেরায় চলে যান, এবং একটি আইসক্রিম ফ্রিজারে লুকিয়ে রাখেন।
- পুলিশ ইতিমধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে, এবং তদন্ত চলছে।
📢 শরিফুলের বাবা আলমগীর মিয়ার বক্তব্য:
“আমি মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার সঙ্গে দেখা করতে চাই, যাতে আমার ছেলের হত্যাকারীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।”
⚠️ কৌশলগত প্রভাব:
- ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, এবং বিজেপি নেত্রী পাপিয়া দত্ত নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
- এই ঘটনা রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে, এবং নাগরিকরা দ্রুত বিচার দাবি করছেন।
👉 আপনার মতামত কী? শরিফুলের হত্যাকারীদের কি কঠোর শাস্তি দেওয়া উচিত? মন্তব্যে জানান!
🔴 এই পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে সবাই তথ্য জানতে পারে! 🚀🔥
