ত্রিপুরা সরকারের জনজাতি কল্যাণ দপ্তর রাজ্যের ৩৩টি সরকারি পরিচালিত জনজাতি হোস্টেলে স্মার্ট ক্লাসরুম চালু করেছে, যার মাধ্যমে প্রত্যন্ত এলাকার ছাত্রছাত্রীরা ডিজিটাল শিক্ষার সুবিধা পাবে। এই উদ্যোগের প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৭,০০০ জনজাতি ছাত্রছাত্রী উপকৃত হবে বলে জানানো হয়েছে।
🎓 ‘ধরতি আবা জনভাগিদারি অভিযান’-এর অংশ হিসেবে সূচনা
এই স্মার্ট ক্লাস প্রকল্পের সূচনা করেন জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা, যিনি নিজে উপস্থিত থেকে এসডি মেমোরিয়াল এসটি গার্লস হোস্টেল, বেলোনিয়ার বিআইকে আই এসটি বয়েজ হোস্টেল, মেলাঘর এসটি গার্লস হোস্টেল এবং উদয়পুরের কেবিআই এসটি বয়েজ হোস্টেল-এ ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
💡 স্মার্ট ক্লাসের বৈশিষ্ট্যসমূহ
- লাইভ অনলাইন ইন্টারঅ্যাকটিভ ক্লাস
- রেকর্ডেড লেকচার
- বহু ভাষায় প্রিন্টেড ও ডাউনলোডযোগ্য স্টাডি ম্যাটেরিয়াল
- অনলাইন টাইমড অ্যাসেসমেন্ট
- লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (LMS)
- মোটিভেশনাল ও মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং
🌐 ১০০ হোস্টেলে সম্প্রসারণের লক্ষ্য
জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের পরিচালক সুভাষীষ দাস জানান, “আমরা রাজ্যের ১০০টি হোস্টেলে স্মার্ট ক্লাস চালুর লক্ষ্যে কাজ করছি। প্রথম পর্যায়ে ৩৩টি হোস্টেলে এই সুবিধা চালু হয়েছে।”
এই প্রকল্পের মাধ্যমে ত্রিপুরা সরকার ডিজিটাল যুগে পিছিয়ে পড়া জনজাতি ছাত্রছাত্রীদের সমান সুযোগ ও প্রযুক্তিগত সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পূরণে এক ধাপ এগিয়ে গেল।
