উত্তর-পূর্ব ভারতে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা আজ এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা, শিল্প উদ্যোক্তা এবং বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি, পরিকাঠামো উন্নয়ন, লজিস্টিক হাব গঠন এবং এক জানালা পরিষেবা ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “ত্রিপুরা এখন শিল্প ও বাণিজ্যের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য। রাজ্য সরকার ব্যবসার ক্ষেত্রে যে সুবিধা ও নীতি গ্রহণ করেছে, তাতে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।”
মূল আলোচনার বিষয়বস্তু:
- শিল্পোন্নয়নের জন্য জমি বরাদ্দ প্রক্রিয়া সহজ করা
- বিদ্যুৎ ও পরিবহণ পরিকাঠামোর সম্প্রসারণ
- সীমান্ত বাণিজ্যের সুযোগ বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ সংযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন
- আইটিসহ নতুন প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা
- স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি
বৈঠকে উপস্থিত বিনিয়োগকারীরা ত্রিপুরার ভূ-রাজনৈতিক সুবিধা, স্বল্প প্রতিযোগিতা এবং সরকার-সহযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। শিল্পপতিরা জানান, আগামী দিনে ত্রিপুরা হতে পারে উত্তর-পূর্ব ভারতের ‘বিজনেস গেটওয়ে’।
মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন যে সরকার বিনিয়োগকারীদের প্রতিটি ধাপে সহায়তা করবে এবং দ্রুত প্রশাসনিক পরিষেবা প্রদান করবে। ত্রিপুরাকে একটি ‘ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস’ মডেল রাজ্য হিসাবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
উপসংহার:
ত্রিপুরা সরকারের এই উদ্যোগ উত্তর-পূর্ব ভারতের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পথে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে। বিশেষ করে যুব সমাজের কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলে আশা করছেন অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা।
