বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া চার মাসের চিকিৎসার পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন। তার এই প্রত্যাবর্তন দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপর নির্বাচনের চাপ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
৭৯ বছর বয়সী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি সমস্যা, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং আর্থ্রাইটিসে ভুগছেন। তিনি কাতারের আমিরের পাঠানো একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দেশে ফিরেছেন, সঙ্গে ছিলেন তার দুই পুত্রবধূ জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শর্মিলা রহমান।
তার প্রত্যাবর্তনের ফলে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দ্রুত নির্বাচন ঘোষণা করার জন্য চাপ বাড়ছে। বর্তমানে দেশ পরিচালনা করছেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনুস, যিনি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচন বিলম্বিত হলে বিএনপি বড় ধরনের আন্দোলনে যেতে পারে।
এদিকে, খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান, যিনি বর্তমানে লন্ডনে নির্বাসিত অবস্থায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারেক রহমান দেশে ফিরলে বিএনপির নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী হবে এবং নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন আরও তীব্র হতে পারে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে খালেদা জিয়ার প্রত্যাবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। তার উপস্থিতি বিএনপির সমর্থকদের উজ্জীবিত করেছে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
