বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। শনিবার সন্ধ্যায় মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।
নিষেধাজ্ঞার কারণ ও প্রেক্ষাপট
এই নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগের বিচার চলাকালীন কার্যকর থাকবে। সরকার জানিয়েছে, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আন্দোলন ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি
এই সিদ্ধান্তের আগে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (NCP) ঢাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি চালায়। তারা আওয়ামী লীগকে দুর্নীতি ও গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করে নিষিদ্ধ করার দাবি জানায়।
আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া
আওয়ামী লীগ এই নিষেধাজ্ঞাকে “অবৈধ ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে অভিহিত করেছে। দলটির নেতারা দাবি করেছেন, এই সিদ্ধান্ত গণতন্ত্রের ওপর আঘাত এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক ভারসাম্য পরিবর্তন করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ হবে।
