বাংলাদেশে হাদির শেষকৃত্য উপলক্ষে ঢাকায় বিপুল জনসমাগম হয়। একদল সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা করলে সেনা বাহিনী বাধা দেয়। একই সময়ে বিএনপি নেতার বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনায় সাত বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয় এবং আরও তিনজন হাসপাতালে ভর্তি হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
শেষকৃত্যকে কেন্দ্র করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে এবং সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। সেনা ও পুলিশ বাহিনী দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, তবে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের দমন করছে এবং বিরোধী কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করতে চাইছে। অপরদিকে সরকার বলেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মহলও এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলেছে, রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ করতে হবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে।
Disclaimer: This article is based on publicly available information and official updates.
