ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের জেরে ভারতের প্রায় ১ লক্ষ টন বাসমতি চালের চালান ইরানে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না, যা বর্তমানে গুজরাটের কাণ্ডলা ও মুন্দ্রা বন্দরে আটকে রয়েছে। এই পরিস্থিতি ভারতের চাল রপ্তানিকারকদের জন্য বড় আর্থিক সংকট তৈরি করেছে।
📌 মূল তথ্য:
- All India Rice Exporters Association (AIREA) জানিয়েছে, ইরান ভারতের বাসমতি চাল রপ্তানির দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার, যা মোট রপ্তানির ১৮–২০%।
- চলতি অর্থবছর (২০২৪–২৫)-এ ভারত ইরানে প্রায় ১০ লক্ষ টন বাসমতি চাল রপ্তানি করেছে, যা এখন বিপদের মুখে।
- যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কোনো জাহাজ ইরানে যেতে রাজি নয়, এবং বিমা সংস্থাগুলিও যুদ্ধক্ষেত্রে কভারেজ দিচ্ছে না।
- এর ফলে দেশীয় বাজারে বাসমতি চালের দাম প্রতি কেজিতে ₹৪–₹৫ কমে গেছে, যা কৃষক ও রপ্তানিকারকদের জন্য উদ্বেগজনক।
🗣️ AIREA সভাপতি সতীশ গোয়েলের বক্তব্য:
“আন্তর্জাতিক সংঘাত সাধারণত মেরিন ইন্স্যুরেন্সের আওতায় পড়ে না। ফলে রপ্তানিকারকরা চাল পাঠাতে পারছেন না বা অর্থও পাচ্ছেন না।”
🏛️ সরকারের পদক্ষেপ:
- AIREA ইতিমধ্যে কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রপ্তানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (APEDA)-র সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
- ৩০ জুন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে বৈঠক নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে সমস্যার সমাধান ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা হবে।
⚠️ কৌশলগত প্রভাব:
- মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিম এশিয়ার বাজারে ভারতের বাসমতি চাল রপ্তানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
- স্ট্রেইট অব হরমুজ বন্ধ হলে ভারতের গালফ অঞ্চলে রপ্তানি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কারণ ৮০% বাসমতি চাল এই অঞ্চলেই যায়।
👉 এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে ভারতের কৃষি রপ্তানি খাতে বড় ধাক্কা আসতে পারে।
🔁 এই প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন যাতে সবাই ভারতের রপ্তানি সংকট সম্পর্কে সচেতন হয়! 🚀📉
