ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আশাবাদী, কারণ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সরাসরি শান্তি আলোচনা করার প্রস্তাব দিয়েছেন তুরস্কে।
জেলেনস্কি ১১ মে এক বিবৃতিতে বলেন, ইউক্রেন ৩০ দিনের নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়েছে, যা আলোচনার ভিত্তি তৈরি করবে। তিনি আরও জানান যে তিনি ১৫ মে তুরস্কে পুতিনের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করবেন।
“আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি আশা করছি, যা আগামীকাল থেকে কার্যকর হবে। এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার কোনো মানে নেই। আমি বৃহস্পতিবার তুরস্কে পুতিনের জন্য অপেক্ষা করব। ব্যক্তিগতভাবে। আশা করি এবার রাশিয়া কোনো অজুহাত খুঁজবে না,” জেলেনস্কি এক্স (X)-এ লিখেছেন।
পুতিন রাতের এক টেলিভিশন ভাষণে ইউক্রেনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব কার্যত প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং ১৫ মে ইস্তানবুলে সরাসরি আলোচনা করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে তিনি নিশ্চিত করেননি যে তিনি ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকবেন।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনকে পুতিনের আলোচনার প্রস্তাব অবিলম্বে গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই আলোচনার মাধ্যমে অন্তত বোঝা যাবে যে শান্তি চুক্তি সম্ভব কি না।”
ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, জার্মানি এবং পোল্যান্ডের নেতারা ১০ মে কিয়েভে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির জন্য রাশিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন।
এই আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হতে পারে, যা ইউরোপের সবচেয়ে বড় সামরিক সংঘাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
