রেল যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটলেও ত্রিপুরা সরকার রাজ্যে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য ও জ্বালানি সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছে। খাদ্য ও নাগরিক সরবরাহমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানিয়েছেন, রাজ্যে বর্তমানে প্রায় ৮০ দিনের খাদ্য মজুত এবং ১০ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে, যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যথেষ্ট।
রেলপথে বিঘ্ন ও সরকারের পদক্ষেপ
আসামের লামডিং-বদরপুর রেলপথে সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এর প্রভাবে জলাবদ্ধতা ও ভূমিধসের কারণে রেল চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এই রুটটি ত্রিপুরার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ রাজ্যের অধিকাংশ পণ্য পরিবহন এই পথেই হয়ে থাকে। তবে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে দ্রুত রেলপথ মেরামতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
বিকল্প ব্যবস্থায় সরবরাহ অব্যাহত
সরকার জানিয়েছে, ভারতীয় তেল সংস্থা (IOCL) ইতিমধ্যেই গুয়াহাটি, সিলচর ও অন্যান্য ডিপো থেকে সড়কপথে পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ শুরু করেছে। পাশাপাশি, খাদ্যশস্য সরবরাহও বিকল্প পথে অব্যাহত রয়েছে। মন্ত্রী চৌধুরী জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
অতীত অভিজ্ঞতা ও বর্তমান প্রস্তুতি
গতবার ঝাটিঙ্গায় রেলপথে বিঘ্ন ঘটায় ১০–১২ দিনের জন্য খাদ্য ও জ্বালানির ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। তবে এবার আগেভাগেই প্রস্তুতি নেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকার রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
🔁 এই প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন ত্রিপুরার রেল সংযোগ ও সরবরাহ পরিস্থিতির সর্বশেষ আপডেট পেতে।
