ভারতের বহু রাজ্যে তরুণ-তরুণীরা সরকারি চাকরির আশায় বছরের পর বছর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসে জীবনের সবচেয়ে উৎপাদনশীল সময় হারাচ্ছেন, এমনটাই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শমিকা রবি।
তিনি বলেন, এই প্রবণতা শুধু দেশের বেকারত্বের হারকে বিকৃত করছে না, বরং কর্পোরেট ও উৎপাদন খাতে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি তৈরি করছে।
📉 ‘গ্র্যাজুয়েট বেকারত্ব’ ও চাকরির মোহ
রবি জানান, ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণরা “আদর্শ চাকরির” আশায় ইচ্ছাকৃতভাবে কাজ না করে ৫–৬ বছর ধরে পরীক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন।
“কিছু রাজ্যে সরকারি চাকরির প্রতি অস্বাভাবিক মোহ দেখা যাচ্ছে,” বলেন তিনি।
🏛️ সরকার চাইছে চাকরির মোহ কমাতে
তিনি জানান, কেন্দ্র ও কিছু রাজ্য সরকার সরকারি চাকরির আকর্ষণ কমাতে নীতিগত পদক্ষেপ নিচ্ছে।
“শুধু বেতনের দিক থেকে নয়, সরকারি চাকরির সঙ্গে থাকা অতিরিক্ত সুবিধা ও অবসরের সুযোগও কম আকর্ষণীয় করতে হবে,” বলেন রবি।
🏭 দক্ষতার ঘাটতি ও শিল্পে প্রভাব
রবি আরও বলেন,
“শিল্পক্ষেত্রে সমস্যা অর্থের অভাবে নয়, দক্ষ জনশক্তির অভাবে। ডিগ্রি থাকলেই হবে না, বাস্তব দক্ষতা চাই।”
📊 রাজ্যভিত্তিক চিত্র
তিনি উদাহরণ দেন, গোয়ার মতো রাজ্যে উন্নয়ন হলেও বেকারত্বের হার প্রায় ১০%, কারণ সেখানে ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশের অভাব রয়েছে।
আরও অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত আপডেটের জন্য চোখ রাখুন আমাদের পোর্টালে।
