সিন্ধুদুর্গ জেলার বন বিভাগ বিরল ও মূল্যবান ঔষধি গাছ সংরক্ষণ এবং পরিবেশ রক্ষা উদ্যোগের অংশ হিসেবে ১,০০০টি সপ্তারঙ্গী গাছের চারা রোপণ করতে চলেছে। এই উদ্যোগটি আগস্ট মাসে চৌকুল বনাঞ্চলে বাস্তবায়িত হবে।
🔴 প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- সপ্তারঙ্গী গাছ মূলত পশ্চিমঘাট অঞ্চলে পাওয়া যায়, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকরী।
- গাছের মূল, কান্ড, পাতা ও বীজ ঔষধি গুণসম্পন্ন, যা প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ডায়াবেটিক ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- গাছের বৃদ্ধি ধীরগতির এবং অঙ্কুরোদগম হার কম, যার ফলে এটি বিরল হয়ে উঠছে।
- বন বিভাগ এই গাছ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এর উপকারিতা পেতে পারে।
- স্থানীয়ভাবে এটি ‘ইঙ্গালি’ বা ‘নিসুল’ নামে পরিচিত, এবং হরবাল চিকিৎসায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
📢 বন বিভাগের বক্তব্য:
“সপ্তারঙ্গী গাছ সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এটি ডায়াবেটিস চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”
⚠️ কৌশলগত প্রভাব:
- এই উদ্যোগ পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, পাশাপাশি ঔষধি গাছের ভবিষ্যৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে।
- ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য প্রাকৃতিক চিকিৎসার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে, যা ঔষধি উদ্ভিদের গুরুত্ব বাড়াবে।
👉 আপনার মতামত কী? এই উদ্যোগ কি ডায়াবেটিস চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে? মন্তব্যে জানান!
🔴 এই পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে সবাই তথ্য জানতে পারে! 🚀🔥
