পশ্চিমবঙ্গের স্কুল নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আর্থিক সহায়তা প্রকল্পে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অমৃতা সিনহা শুক্রবার নির্দেশ দেন, গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি বরখাস্ত কর্মীদের ₹২৫,০০০ ও ₹২০,০০০ মাসিক ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।
⚖️ কী বলেছে আদালত?
- হাইকোর্ট জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের রায়কে উপেক্ষা করে রাজ্য সরকার এই ভাতা ঘোষণা করেছে, যা “দুর্নীতিকে পুরস্কৃত করার” সামিল
- বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, “কী কাজের ভিত্তিতে এই ভাতা? শুধুই বাড়িতে বসে টাকা পাওয়া যাবে?”
- মামলাকারীরা হলেন ২০১৬ সালের এসএসসি ওয়েটিং লিস্টে থাকা চাকরিপ্রার্থীরা, যাঁরা দাবি করেছেন এই ভাতা প্রকল্প সুপ্রিম কোর্টের আদেশকে ব্যর্থ করে
🧾 মামলার প্রেক্ষাপট
- ২০১৬ সালের স্কুল নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্ট ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীর নিয়োগ বাতিল করে
- রাজ্য সরকার এরপর প্রায় ৫,০০০ বরখাস্ত কর্মীকে মাসিক ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করে
- এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়
🗣️ রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
- তৃণমূল কংগ্রেস এই রায়কে “বাংলা-বিরোধী শক্তির ষড়যন্ত্র” বলে দাবি করেছে
- বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “এই রায় রাজ্য সরকারের মুখে আরেকটি চপেটাঘাত”
- মামলাকারী আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “রাষ্ট্র কি দুর্নীতিকে সমর্থন করতে পারে?”
📅 পরবর্তী পদক্ষেপ
- মামলাকারীদের হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ
- রাজ্য সরকারও পাল্টা হলফনামা দেবে
- পরবর্তী শুনানি ২৬ সেপ্টেম্বরের পর
আরও আপডেটের জন্য চোখ রাখুন।
