অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা শুক্রবার হাইলাকান্দি জেলার বন্যা ত্রাণ কার্যক্রম পর্যালোচনা করেছেন, যেখানে ৫.৬ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
🔴 প্রধান তথ্য:
- ১৯টি জেলার লক্ষাধিক মানুষ বন্যার কবলে, হাজারো মানুষ ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে।
- মুখ্যমন্ত্রী হাইলাকান্দির প্রধান ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করেন, যেখানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সাথে কথা বলেন।
- সরকার চিকিৎসা দল, বিশুদ্ধ পানীয় জল ও রান্না করা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করেছে।
- কালিনগর ও পাঁচগ্রাম অঞ্চলে বাস্তুচ্যুতদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, প্রশাসন ত্রাণ বিতরণ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা জোরদার করছে।
📢 মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য:
- “আমরা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের কোনো সমস্যা না হয়। ত্রাণ শিবিরে খাদ্য, শিশুখাদ্য ও স্বাস্থ্য সামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।”
⚠️ চলমান সংকট:
- মরিগাঁও জেলার ১১৭টি গ্রাম এখনও পানির নিচে, যেখানে শত শত হেক্টর কৃষিজমি ও গবাদি পশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- বরাক উপত্যকার শ্রীভূমি ও উত্তর শ্রীভূমির বাতগ্রাম অঞ্চলে মানুষ এখনও জলবন্দী, যেখানে বাজার ও আবাসিক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
- পরিবেশবিদরা জলবায়ু পরিবর্তন, বন উজাড় ও দুর্বল বাঁধ কাঠামোকে বারবার বন্যার মূল কারণ হিসেবে দায়ী করছেন।
👉 আপনার মতামত কী? অসমের বন্যাকে কি জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করা উচিত? কমেন্টে জানান!
🔴 এই পোস্ট শেয়ার করুন, যাতে সবাই আপডেট থাকতে পারে! 🚀🔥
