১০,৩২৩ শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ত্রিপুরা হাইকোর্টের প্রশ্ন, রাজ্য সরকারকে ব্যাখ্যার নির্দেশ

ত্রিপুরা হাইকোর্ট সম্প্রতি রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, ২০১০ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে নিয়োগপ্রাপ্ত ১০,৩২৩ জন শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে। এই শিক্ষকরা ২০১৭ সালে একটি বিতর্কিত রায়ের পর চাকরি হারান, যার ভিত্তিতে ২০০৩ সালের সংশোধিত নিয়োগ নীতি-কে “আইনবিরুদ্ধ” ঘোষণা করা হয়েছিল।

⚖️ মামলার পটভূমি

২০১৪ সালে ত্রিপুরা হাইকোর্ট রাজ্যের ২০০৩ সালের নিয়োগ নীতি-কে বাতিল করে দেয় এবং সেই নীতির ভিত্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের চাকরি অবৈধ ঘোষণা করে। পরে সুপ্রিম কোর্টও এই রায় বহাল রাখে

তবে সম্প্রতি একদল প্রাক্তন শিক্ষক দাবি করেছেন, তাঁদের নিয়োগ ২০০১ সালের নিয়োগ নীতির অধীনে হয়েছিল এবং তাঁরা ১৯৭১ সালের নিয়োগ বিধি মেনেই নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

🧾 কী বলেছে হাইকোর্ট?

হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে—

  • এই নিয়োগগুলি ২০০৩ সালের বাতিল হওয়া নীতির অধীনে হয়েছিল কি না তা স্পষ্ট করতে
  • ২০০১ সালের নীতির কপি আদালতে পেশ করতে
  • চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের বেতন ও নিয়োগ কোড এখনও সক্রিয় আছে কি না তা জানাতে

💸 দুর্নীতির অভিযোগ

আবেদনকারীদের আইনজীবী দাবি করেছেন, চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের বেতন কোড এখনও সক্রিয়, যার ফলে সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ অপচয় হচ্ছে এবং কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার পকেটে যাচ্ছে

🔍 সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

এর আগে সুপ্রিম কোর্ট ৭০০ জন শিক্ষককে হাইকোর্টে আবেদন করার অনুমতি দেয়, যাঁরা দাবি করেন যে তাঁদের চাকরিচ্যুতি অবৈধ ও অসাংবিধানিক

ত্রিপুরা হাইকোর্টের পরবর্তী শুনানির আপডেটের জন্য আমাদের সঙ্গে থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *