ত্রিপুরার কৃষিমন্ত্রী সুধান্শু দাস জানিয়েছেন যে রাজ্যের শিক্ষিত যুবকরা কৃষিকে লাভজনক পেশা হিসেবে গ্রহণ করছে, যা আধুনিক প্রযুক্তি ও সরকারি সহায়তার ফলে সম্ভব হয়েছে।
🔴 প্রধান তথ্য:
- উচ্চশিক্ষিত যুবকরা কৃষিকে পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছে, কারণ এতে স্বাধীনতা ও উচ্চ আয়ের সুযোগ রয়েছে।
- পশ্চিম ঘিলাতলি গ্রামের মাণিক মিয়া তার বিজ্ঞানসম্মত কৃষি পদ্ধতির মাধ্যমে সফলতা অর্জন করেছেন।
- ত্রিপুরায় মাছ চাষের চাহিদা বাড়ছে, যেখানে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে বছরে ₹১ কোটি আয় সম্ভব বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী।
📢 মন্ত্রীর বক্তব্য:
- “কৃষি এখন শুধুমাত্র ঐতিহ্যগত পেশা নয়। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে শিক্ষিত যুবকরা এটিকে অত্যন্ত লাভজনক করে তুলতে পারে।”
- “আমরা দ্রুত বীজ, সার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করছি, যাতে আরও তরুণ উদ্যোক্তারা কৃষিতে আসতে পারে।”
⚠️ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:
- ত্রিপুরার কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে বিজ্ঞানসম্মত কৃষি ও জলজ চাষের প্রসার ঘটানো হবে।
- সরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে যুবকদের কৃষি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান করা হবে।
👉 আপনার মতামত কী? কৃষি কি শিক্ষিত যুবকদের জন্য একটি মূলধারার পেশা হতে পারে? কমেন্টে জানান!
🔴 এই পোস্ট শেয়ার করুন, যাতে সবাই আপডেট থাকতে পারে! 🚀🔥
