ত্রিপুরার টিপরা মথা দলের বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা অবৈধ অভিবাসীদের সনাক্তকরণ ও বিতাড়নের জন্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, কারণ মে ১৮-এর নির্ধারিত সময়সীমা দ্রুত শেষ হতে চলেছে।
🔴 প্রধান বিষয়বস্তু:
- কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MHA) ৩০ দিনের মধ্যে অবৈধ অভিবাসীদের সনাক্ত ও বিতাড়নের নির্দেশ দিয়েছে, যা ইতিমধ্যে ২২ দিন অতিক্রান্ত হয়েছে।
- দেববর্মা আসাম রাইফেলসের ব্রিগেডিয়ার মানীশ রানার সাথে বৈঠক করেছেন, দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিশদ পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।
- ত্রিপুরায় ৮১৬ জন বাংলাদেশি, ৭৯ জন রোহিঙ্গা ও ২ জন নাইজেরিয়ান নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে, যারা অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন।
- দেববর্মা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখে অবৈধ অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছেন।
- “অপারেশন ডিটেক্ট অ্যান্ড ডিপোর্ট বাংলাদেশিস” চালুর দাবি, যা দিল্লি, আসাম ও গুজরাটে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
📢 বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মার বক্তব্য:
“ত্রিপুরার সরকার এখনো নীরব। আমরা চাই অবিলম্বে অবৈধ অভিবাসীদের সনাক্তকরণ ও বিতাড়ন শুরু হোক। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।”
⚠️ কৌশলগত প্রভাব:
- বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
- ত্রিপুরার আদিবাসী এলাকাগুলোতে অবৈধ অভিবাসীদের বসবাসের অভিযোগ, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।
👉 আপনার মতামত কী? ত্রিপুরায় অবৈধ অভিবাসী বিতাড়ন কি সঠিক সিদ্ধান্ত? কমেন্টে জানান!
🔴 এই পোস্টটি শেয়ার করুন এবং আলোচনায় অংশ নিন! 🚀🔥
