ত্রিপুরা মানবাধিকার কমিশন (THRC) সাত বছর ধরে জমির ক্ষতিপূরণ না দেওয়ার অভিযোগে ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড (NHIDCL)-কে কড়া ভাষায় তিরস্কার করেছে এবং আগামী ১১ জুলাইয়ের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
📍 জমুই পাহাড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এখনও অপেক্ষায়
উত্তর ত্রিপুরার জমুই পাহাড় এলাকার প্রায় ২০টি পরিবার ২০১৮ সালে NHIDCL-এর জাতীয় সড়ক প্রকল্পের জন্য জমি হারিয়েছে। যদিও ৩A ও ৩D ধারা অনুযায়ী জমি অধিগ্রহণের নোটিশ যথাক্রমে ২৫ জুন ২০১৮ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ জারি হয় এবং ১৯ জানুয়ারি ২০২১-এ ক্ষতিপূরণের চূড়ান্ত ঘোষণা হয়, তবুও আজও তারা কোনও অর্থ পাননি।
🧾 কোনও আইনি জটিলতা নেই, তবুও বিলম্ব
কমিশনের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, জমির মালিকানা নিয়ে কোনও বিরোধ নেই এবং ক্ষতিপূরণের অর্থ বরাদ্দ থাকলেও NHIDCL প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন, নতুন DPR প্রস্তুতি ও ঠিকাদার বদলের অজুহাতে অর্থ ছাড়েনি।
⚖️ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ
THRC-এর চেয়ারপার্সন বিচারপতি অরিন্দম লোধ বলেন,
“জমির মালিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিপূরণ না দেওয়া একটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন।”
📝 পরবর্তী পদক্ষেপ
কমিশন NHIDCL-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এবং উত্তর ত্রিপুরার ভূমি অধিগ্রহণ কালেক্টর-কে পৃথকভাবে নোটিশ পাঠিয়েছে এবং তিন সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট চেয়েছে।
এই ঘটনাটি রাজ্যে অবকাঠামো উন্নয়নের নামে সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকা বিপন্ন হওয়ার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে।
