এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সাবরওয়ালের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অনুপস্থিত ছিলেন টাটা সন্স ও এয়ার ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান এন. চন্দ্রশেখরন—এমন অভিযোগ তুলে একটি খোলা চিঠি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। চিঠিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, “এটাই কি নতুন ভারত, যেখানে সহানুভূতির জায়গায় নিঃসঙ্গতা থাকে?”
🕊️ শোকস্তব্ধ পরিবার, অনুপস্থিত শীর্ষ নেতৃত্ব
১২ জুন আহমেদাবাদে ঘটে যাওয়া AI-171 বিমান দুর্ঘটনায় ক্যাপ্টেন সাবরওয়ালের মৃত্যু হয়। ১৭ জুন মুম্বইয়ে তাঁর শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন না চন্দ্রশেখরন বা টাটা সন্সের কোনও বোর্ড সদস্য। এই অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে চিঠিতে লেখা হয়েছে,
“কোনও কাঁধ ছিল না ভরসার, কোনও সহানুভূতির বার্তা ছিল না। আপনি ছিলেন মুম্বইতেই, তবুও এলেন না।”
✍️ মানবিকতার উদাহরণ তুলে ধরলেন ক্যাপ্টেন লুম্বা
চিঠিটি শেয়ার করেছেন প্রাক্তন পাইলট ক্যাপ্টেন শক্তি লুম্বা, যেখানে তিনি স্মরণ করিয়েছেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান অশ্বিনী লোহানির মানবিক আচরণ—যিনি এক জুনিয়র কর্মীর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে চাকরির ব্যবস্থা করেছিলেন।
🗣️ “আপনি শুধু একটি কোড, একটি নাম”
চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে,
“আজ এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মীরা নিজেদের পরিত্যক্ত মনে করছেন—দুর্ঘটনার জন্য নয়, বরং আপনার অনুপস্থিতির জন্য।”
🛫 এয়ার ইন্ডিয়ার প্রতিক্রিয়া
এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ক্যাপ্টেন সাবরওয়ালের অন্ত্যেষ্টিতে সংস্থার COO, টাটা গ্রুপের HR ও কমিউনিকেশন প্রধান উপস্থিত ছিলেন এবং পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
এই ঘটনাটি নেতৃত্বের মানবিক দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এবং কর্পোরেট দুনিয়ায় সহানুভূতির গুরুত্বকে সামনে এনেছে।
