টানা বৃষ্টির জেরে গন্ধেশ্বরী নদীর উপর মানকানালি সেতু সম্পূর্ণভাবে জলের তলায় চলে যাওয়ায় বাঁকুড়া সদর থেকে প্রায় ২৫টি গ্রাম কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বুধবার সন্ধ্যা থেকে নদীর জলস্তর বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সেতুর উপর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে হাজার হাজার মানুষ জরুরি পরিষেবা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
🌊 সেতু ডুবে যাওয়ার প্রভাব
- সেতুর উপর দিয়ে তিন থেকে চার ফুট উচ্চতায় জল বইছে
- বিকল্প পথে যেতে হচ্ছে ২৫ কিমি ঘুরপথে, যা সময় ও খরচ বাড়াচ্ছে
- রোগী পরিবহণ, স্কুলে যাতায়াত ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহে চরম অসুবিধা
🗣️ স্থানীয়দের ক্ষোভ
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, প্রতি বছর প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাকা সেতুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
“প্রতিবার নেতা-আমলা এসে বলেন সেতু হবে, কিন্তু বর্ষা এলেই আবার ভোগান্তি,” বললেন এক বাসিন্দা।
এক বাসচালক লালটু সূত্র বলেন,
“গত বছর ইটভাটার মালিকেরা সাময়িকভাবে সেতু মেরামত করেছিলেন, কিন্তু এবার বৃষ্টিতে আবার ভেঙে পড়েছে। রোগী নিয়ে গেলে বিপদে পড়তে হচ্ছে।”
🏛️ প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে
এই ঘটনার পর জেলা প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও অবহেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বহুবার আবেদন জানানো হলেও স্থায়ী সেতু নির্মাণে কোনও অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ।
আরও আপডেটের জন্য চোখ রাখুন।
