ত্রিপুরা সরকার রাজনৈতিক হিংসায় নিহতদের পরিবারকে সরকারি চাকরি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে, যার আওতায় ইতিমধ্যেই ১৮ জনকে স্থায়ী নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়েছে। এই পদক্ষেপকে মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা-র নেতৃত্বে “ন্যায় ও মানবিকতার প্রতিফলন” হিসেবে দেখা হচ্ছে।
🧾 কী বলছে সরকার?
ত্রিপুরার সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী রতনলাল নাথ জানান, এখন পর্যন্ত ৩৯টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে, যার মধ্যে ১৮টি অনুমোদিত হয়েছে এবং ৫টি আরও বিবেচনাধীন। আবেদন যাচাইয়ের দায়িত্বে রয়েছেন জেলা শাসক ও পুলিশ সুপার, যাঁদের রিপোর্টের ভিত্তিতে উচ্চপর্যায়ের স্ক্রুটিনি কমিটি নিয়োগের সুপারিশ করে।
“এই প্রকল্পে কোনও রাজনৈতিক পক্ষপাত নেই। যোগ্যতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই একমাত্র বিবেচ্য,”—বলেন নাথ।
🏢 কোন বিভাগে নিয়োগ?
নিয়োগপ্রাপ্তরা কাজ পাচ্ছেন বিভিন্ন দপ্তরে, যেমন—
- তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর
- মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর
- রাজস্ব দপ্তর
- খাদ্য ও নাগরিক সরবরাহ দপ্তর
📜 আবেদন প্রক্রিয়া ও সময়সীমা
আবেদনকারীদের এসডিএম অফিস থেকে ফর্ম সংগ্রহ করে জমা দিতে হবে। যাচাই শেষে অর্থ দপ্তর শূন্যপদ অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
🕊️ অতীতের ক্ষত মেটাতে উদ্যোগ
এই প্রকল্পে ১৯৯০-এর দশক, ২০০০-এর দশক ও ২০১৩ সালের ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত। নাথ বলেন,
“গণতন্ত্রে হিংসার কোনও স্থান নেই। অতীতের ভুল শুধরে আমরা নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছি।”
ত্রিপুরা প্রশাসনের মানবিক উদ্যোগের আরও আপডেটের জন্য আমাদের সঙ্গে থাকুন।
