ত্রিপুরা রাজ্য ভারতের তৃতীয় সম্পূর্ণ সাক্ষর রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেল, মিজোরাম ও গোয়ার পর এই গৌরব অর্জন করল উত্তর-পূর্ব ভারতের এই ছোট রাজ্যটি। ২৩ জুন আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা করা হয়।
📈 সাক্ষরতার পরিসংখ্যান ও অগ্রগতি:
- ত্রিপুরার সাক্ষরতার হার এখন ৯৫.৬%, যা ইউনেস্কোর নির্ধারিত ‘সম্পূর্ণ সাক্ষর’ মানদণ্ড পূরণ করে।
- ১৯৬১ সালে রাজ্যের সাক্ষরতার হার ছিল মাত্র ২০.২৪%, যা ২০১১ সালের আদমশুমারিতে বেড়ে দাঁড়ায় ৮৭.২২%।
- ULLAS (Understanding Lifelong Learning for All in Society) বা নব ভারত সাক্ষরতা কর্মসূচি-র সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।
🏫 কীভাবে সম্ভব হলো এই সাফল্য:
- রাজ্যের ২৩,১৮৪ জন নিরক্ষর প্রাপ্তবয়স্ককে সাক্ষর করে তোলা হয়েছে।
- ২,২২৮ জন স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষক, ৯৪৩টি সামাজিক চেতনা কেন্দ্র, এবং স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এই কর্মসূচিকে সফল করেছে।
- বাংলা, ইংরেজি ও কোকবরক ভাষায় শিক্ষাসামগ্রী প্রস্তুত করে রাজ্যের প্রতিটি অঞ্চলে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
🗣️ মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার বক্তব্য:
“এই দিনটি ত্রিপুরার ইতিহাসে সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে। সাক্ষরতা ছাড়া বিকশিত ভারত সম্ভব নয়। আমরা এখন প্রতিটি ঘরে সাক্ষরতা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করব।”
🌍 জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্ব:
- জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG 2030) অনুযায়ী, এই সাফল্য ভারতের সাক্ষরতা অভিযানে এক বড় পদক্ষেপ।
- ত্রিপুরা এখন উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম শিক্ষিত রাজ্য, যা জিডিপি ও মাথাপিছু আয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
👉 এই ঐতিহাসিক সাফল্য ত্রিপুরাকে শিক্ষা, দক্ষতা ও সামাজিক উন্নয়নের নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
🔁 এই প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন যাতে সবাই ত্রিপুরার গর্বের এই মুহূর্ত জানতে পারে! 🚀📖
