অসম-মেঘালয় সীমান্তের বিতর্কিত ব্লক-১ এলাকায় ফের উত্তেজনা ছড়াল, যখন মেঘালয়ের পশ্চিম জৈন্তিয়া হিলস জেলার প্রায় ৪০০ জন গ্রামবাসী ও ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা কার্বি আংলং স্বায়ত্তশাসিত পরিষদের (KAAC) পরিচালিত একটি লাল চন্দন গাছের বাগানে হামলা চালায়। তারা শতাধিক চারা গাছ উপড়ে ফেলে ও কাঠের শেড ভেঙে দেয়, যার ফলে অসম পুলিশকে টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়।
বিতর্কিত জমি ও চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ
ঘটনাটি ঘটে লাপাংআপ গ্রামের একটি পাহাড়ে, যা দুই রাজ্যের বাসিন্দারাই নিজেদের দাবি করে। মেঘালয় প্রশাসনের অভিযোগ, KAAC 2023 সালের স্থিতাবস্থা চুক্তি লঙ্ঘন করে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাগান তৈরি শুরু করে।
“আমরা শান্তি বৈঠকের জন্য অপেক্ষা করছিলাম, কিন্তু অসম পক্ষ উপস্থিত না হওয়ায় গ্রামবাসীরা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে,” বলেন পশ্চিম জৈন্তিয়া হিলসের ডেপুটি কমিশনার অভিনব কুমার সিং।
পাল্টা প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
ঘটনার পর কার্বি স্থানীয়রা দুটি অস্থায়ী কাঠামোতে আগুন ধরিয়ে দেয়, যার ফলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই রাজ্যের পুলিশ ও সীমান্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা মোতায়েন করা হয়েছে এবং গ্রাম পর্যায়ে শান্তি বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ছাত্র সংগঠনের হুঁশিয়ারি
খাসি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (KSU) ও জৈন্তিয়া স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (JSU) জানিয়েছে,
“যদি রাজ্য সরকার আমাদের জমি রক্ষা করতে না পারে, তবে আমরা নিজেরাই তা করব।”
🔁 এই প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন যাতে সীমান্ত অঞ্চলের বাস্তব পরিস্থিতি ও শান্তি প্রচেষ্টার অগ্রগতি সম্পর্কে সবাই জানতে পারে।
