আগরতলা – ত্রিপুরা সরকার রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি সমন্বিত বদলি নীতি প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা। এই নীতির লক্ষ্য হল রাজ্যজুড়ে কর্মীদের সমবন্টন নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিন একই স্থানে কর্মরত থাকা রোধ করা।
🔄 বদলি নীতির মূল দিকনির্দেশনা
- কোনও কর্মচারীকে একই স্থানে দীর্ঘদিন কর্মরত রাখা হবে না
- বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- বদলি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা বজায় রাখা হবে
- নীতিটি প্রয়োগে প্রশাসনিক দক্ষতা ও উন্নয়নমূলক ভারসাম্য রক্ষা করা হবে
মুখ্যমন্ত্রী সাহা বলেন, “বর্তমান সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করছে। বদলি নীতিও তারই অংশ।”
🏫 শিক্ষা ও উন্নয়নের প্রতি জোর
এই ঘোষণা তিনি করেন সেপাহিজলা জেলার মধুপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধনের সময়। তিনি জানান, রাজ্য সরকার শিক্ষা খাতে উন্নয়নের জন্য একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে:
- শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
- শিক্ষা পরিকাঠামো উন্নয়ন
- ছাত্রদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে উৎসাহ প্রদান
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীরা কাঁচা মাটির মতো, তাদের গঠন নির্ভর করে তারা কেমন দিশা পাচ্ছে তার উপর।”
📌 ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
ত্রিপুরা সরকারের এই বদলি নীতি রাজ্যের ১ লক্ষ ৪ হাজারের বেশি সরকারি কর্মচারীর জন্য প্রযোজ্য হবে। নীতিটি বাস্তবায়িত হলে প্রশাসনিক ভারসাম্য, সেবা মানোন্নয়ন, এবং গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মী সংকট নিরসনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
🔁 এই প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন ত্রিপুরার প্রশাসনিক সংস্কার ও কর্মসংস্কৃতির পরিবর্তনের খবর জানতে।
