ঢাকার খিলখেত এলাকায় একটি দুর্গা মন্দির ধ্বংসের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব হিন্দু সম্প্রদায়, তাদের সম্পত্তি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে রক্ষা করা।
🛕 “অবৈধ জমি ব্যবহার” দেখিয়ে মন্দির ভাঙার অনুমতি
জয়সওয়াল জানান, চরমপন্থীরা মন্দির ভাঙার দাবি তুলেছিল, অথচ সরকার নিরাপত্তা না দিয়ে ঘটনাটিকে “অবৈধ জমি দখল” হিসেবে তুলে ধরে মন্দির ধ্বংসের অনুমতি দেয়।
“মূর্তিটি স্থানান্তরের আগেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা হতাশ যে বাংলাদেশে এমন ঘটনা বারবার ঘটছে,” বলেন তিনি।
🇮🇳 ভারতের কূটনৈতিক বার্তা
ভারত জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সব বিষয়ে আলোচনায় প্রস্তুত, তবে সেটি হতে হবে পারস্পরিক সম্মান ও সদিচ্ছার পরিবেশে।
এছাড়া, গঙ্গা জল চুক্তি নবায়ন, বাণিজ্য ভারসাম্য, এবং সীমান্ত বাণিজ্যে সমতা নিয়েও আলোচনা চলছে।
📉 ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েন
২০২৪ সালের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন-এর পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর, এই সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে।
🔁 এই প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সাম্প্রতিক উত্তেজনা সম্পর্কে সকলকে জানাতে।
