পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, দিঘায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত রথযাত্রা উৎসবের সঙ্গে পুরীর কোনও প্রতিযোগিতা নেই, এবং এই উদ্যোগের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, “জগন্নাথ এক, আমরা সবাই তাঁর ভক্ত। পুরী আমাদের আধ্যাত্মিক উৎস, আমরা তাদের ভালোবাসি, তারাও আমাদের ভালোবাসুক।”
🛕 দিঘায় প্রথম রথযাত্রা, মমতার সরাসরি তত্ত্বাবধান
- দিঘার নতুন জগন্নাথ ধাম মন্দির উদ্বোধনের পর এই প্রথম রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হচ্ছে
- মমতা নিজে দিঘায় উপস্থিত থেকে চক্র টানার সূচনা করবেন
- তিনটি রথ – জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা-র জন্য প্রস্তুত
- ২.৫ লক্ষের বেশি ভক্তের সমাগম প্রত্যাশিত, নিরাপত্তায় মোতায়েন ৩,০০০ পুলিশ
🗳️ বিজেপির অভিযোগ ও মমতার জবাব
বিজেপি এই রথযাত্রাকে “রথ রাজনীতি” বলে কটাক্ষ করেছে এবং অভিযোগ করেছে, মুখ্যমন্ত্রী সনাতনী রীতিনীতি থেকে সরে এসেছেন।
মমতা পাল্টা বলেন, “এই রথযাত্রা পর্যটকদের জন্য, ধর্মীয় ঐক্যের প্রতীক। পুরীর সঙ্গে কোনও প্রতিযোগিতা নেই। বরং দিঘার রথযাত্রায় বিদেশি পর্যটকরাও অংশ নিচ্ছেন, যা পুরীতে সাধারণত দেখা যায় না।”
🧹 সোনার ঝাঁটা ও প্রসাদ বিতরণ
- মমতা মন্দিরে সোনার ঝাঁটা উপহার দিয়েছেন
- রাজ্যজুড়ে জগন্নাথের প্রসাদ বিতরণের পরিকল্পনা
- ISKCON-এর সমর্থন পেয়েছে এই উদ্যোগ
⚠️ পুরীর সেবায়েতদের আপত্তি
ওড়িশার পুরী মন্দিরের প্রধান সেবায়েত জগন্নাথ স্বাইন মহাপাত্র অভিযোগ করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মন্ত্রীদের পুরীর রথযাত্রায় না যেতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি একে “ওড়িয়া সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র” বলে অভিহিত করেছেন।
📌 রাজনৈতিক ও ধর্মীয় প্রেক্ষাপট
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই রথযাত্রা নিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। তবে মমতা বারবার জোর দিয়ে বলেছেন, “এই উৎসব রাজনীতির ঊর্ধ্বে। এটি ভক্তি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মিলন।”
🔁 এই প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন দিঘার রথযাত্রা ঘিরে ধর্মীয় উৎসব ও রাজনৈতিক বিতর্ক সম্পর্কে সকলকে জানাতে।
