জম্মু ও কাশ্মীরের কিশনগঙ্গা ও রাতলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের (Court of Arbitration) দেওয়া ‘সাপ্লিমেন্টাল অ্যাওয়ার্ড’-কে “অবৈধ ও পাকিস্তানের প্ররোচনায় পরিচালিত প্রহসন” বলে কড়া ভাষায় প্রত্যাখ্যান করল ভারত। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MEA) জানিয়েছে, এই সালিশি আদালতের গঠনই ইন্দাস জলচুক্তির (Indus Waters Treaty, 1960) লঙ্ঘন এবং এর কোনও আইনগত বৈধতা নেই।
⚖️ ভারতের অবস্থান: চুক্তি স্থগিত, রায় অবৈধ
- MEA জানিয়েছে, পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত ইন্দাস জলচুক্তি স্থগিত করেছে এবং এখন আর এই চুক্তির কোনও বাধ্যবাধকতা মানতে বাধ্য নয়
- আদালতের রায়কে “সার্বভৌম অধিকার লঙ্ঘন” বলে অভিহিত করেছে ভারত
- MEA-র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই তথাকথিত সালিশি আদালতের অস্তিত্বই আইনত স্বীকৃত নয় এবং এর সব রায় অবৈধ ও বাতিলযোগ্য”
🧭 পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে কড়া ভাষায় আক্রমণ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে,
“এই প্রহসন পাকিস্তানের ইশারায় পরিচালিত এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে decades-ব্যাপী প্রতারণার ধারাবাহিকতা।”
পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই কিশনগঙ্গা (৩৩০ মেগাওয়াট) ও রাতলে (৮৫০ মেগাওয়াট) প্রকল্পের ডিজাইন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে, যা ভারতের মতে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
🌍 আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ দিক
- ভারত এই রায় সম্পূর্ণভাবে খারিজ করেছে, আগের সব রায়ের মতোই
- চুক্তি পুনরায় কার্যকর হবে কিনা, তা নির্ভর করবে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদে মদত বন্ধের ওপর
- এই ঘটনাকে ঘিরে জলসম্পদ ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে
🔁 এই প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন ইন্দাস জলচুক্তি ও দক্ষিণ এশিয়ার জলনীতি নিয়ে চলমান বিতর্ক সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে।
