বিশ্বের প্রথম ‘ব্ল্যাক হোল বোম্ব’ সফলভাবে ল্যাবে তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা, যা ৫৬ বছর পুরনো তত্ত্বকে প্রমাণিত করেছে।
ব্ল্যাক হোল বোম্ব কী?
১৯৬৯ সালে রজার পেনরোজ ধারণা দেন যে ঘূর্ণায়মান ব্ল্যাক হোল থেকে শক্তি বের করা সম্ভব। পরে ১৯৭১ সালে ইয়াকভ জেলডোভিচ এই তত্ত্বকে আরও প্রসারিত করেন, যেখানে তিনি দেখান যে একটি দ্রুত ঘূর্ণায়মান ধাতব সিলিন্ডার তরঙ্গকে শক্তিশালী করতে পারে।
কীভাবে বিজ্ঞানীরা এটি তৈরি করলেন?
সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা একটি ঘূর্ণায়মান অ্যালুমিনিয়াম সিলিন্ডার ব্যবহার করে এই পরীক্ষাটি সম্পন্ন করেন। তাঁরা তিন-পর্যায়ের চৌম্বক ক্ষেত্র এবং একটি প্রতিফলিত সার্কিট তৈরি করেন, যা তরঙ্গকে বারবার প্রতিফলিত করে শক্তিশালী করে তোলে।
এই আবিষ্কারের গুরুত্ব
এই গবেষণা ব্ল্যাক হোলের শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়া বোঝার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই আবিষ্কার ডার্ক ম্যাটার গবেষণায় নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়া
বিশিষ্ট পদার্থবিদ ভিতর কার্ডোসো এই আবিষ্কারকে “অবিশ্বাস্য” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “আপনি একটি তরঙ্গ পাঠান এবং আরও শক্তিশালী তরঙ্গ ফিরে আসে—এটি সত্যিই বিস্ময়কর।”
এই যুগান্তকারী গবেষণা মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
আরও আপডেটের জন্য আমাদের সঙ্গে থাকুন।
