মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে নতুন সমীকরণ
ইরান সম্প্রতি তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘আরাশ-এ-কামানগির’ মোতায়েন করেছে, যার মূল লক্ষ্য মার্কিন ড্রোন ও আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী অন্যান্য গোয়েন্দা বিমানকে প্রতিহত করা। হরমুজ প্রণালী ও সংলগ্ন অঞ্চলে মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তেহরান এই কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। চলতি সপ্তাহের সামরিক মোতায়েন মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপূর্ণ ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
প্রেক্ষাপট ও চলমান উত্তেজনা
গত কয়েক মাসে হরমুজ প্রণালী ও কুয়েতসহ পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এর আগে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা এবং পাল্টা সামরিক ঘাঁটিতে হামলার অভিযোগ নিয়ে উভয় দেশই মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। ইরান দাবি করছে, তাদের আকাশসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অপরিহার্য। অন্যদিকে, ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে।
আরাশ-এ-কামানগির: সক্ষমতা ও প্রযুক্তি
সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আরাশ-এ-কামানগির মূলত একটি লং-রেঞ্জ রাডার এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, যা স্বল্প উচ্চতায় উড়তে সক্ষম ড্রোন শনাক্তকরণ ও ধ্বংস করতে বিশেষভাবে তৈরি। এই সিস্টেমটি ইরানের ক্রমবর্ধমান ড্রোন প্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সক্ষমতার প্রতিফলন। এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে প্রতিকূল পরিবেশে এবং মার্কিন রাডার জ্যামিং প্রযুক্তি থাকা সত্ত্বেও এটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতামত
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ইরান তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলছে যাতে কোনো বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভরতা কমানো যায়। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক বিশ্লেষক ডা. করিম সাদজাদপুরের মতে,