বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তে ভারত গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রন্ধির জয়সওয়াল বলেছেন, “আওয়ামী লীগকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া নিষিদ্ধ করা একটি উদ্বেগজনক ঘটনা। গণতন্ত্র হিসেবে ভারত রাজনৈতিক স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়া নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন। আমরা বাংলাদেশে দ্রুত, অবাধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের পক্ষে“।
নিষেধাজ্ঞার কারণ ও ঢাকার অবস্থান
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। সরকারের মুখপাত্র শফিকুল আলম বলেছেন, “এই নিষেধাজ্ঞা জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য জরুরি“। তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে আমাদের গণতান্ত্রিক কাঠামো ধ্বংস করেছে এবং রাজনৈতিক পরিসর সংকুচিত করেছে“।
ভারতের উদ্বেগ ও কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া
ভারত সরকারের মতে, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়া
ঢাকা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং অন্য কোনো দেশকে এতে হস্তক্ষেপ না করার আহ্বান জানিয়েছে। সরকারের মুখপাত্র বলেছেন, “আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছি“।
উপসংহার
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের উদ্বেগ কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন মাত্রা তৈরি করেছে। আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা এবং আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে। এখন দেখার বিষয়, এই পরিস্থিতি কীভাবে এগোয়।
📢 সর্বশেষ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন! 🔔
