আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে চমক দিয়ে গৌতম আদানির নেতৃত্বাধীন আদানি গ্রুপ তুরস্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। ‘Boycott Turkey’ হ্যাশট্যাগ যখন ভারতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলছে, তখন আদানির এই সিদ্ধান্তকে বিশ্লেষকরা তুরস্কের অর্থনীতির জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করছেন।
বিশ্বস্ত সূত্র অনুযায়ী, আদানি গ্রুপ তুরস্কে একটি সম্ভাব্য বন্দর উন্নয়ন ও লজিস্টিক প্রকল্পে লগ্নি করার পরিকল্পনা বাতিল করেছে। এই সিদ্ধান্ত শুধু অর্থনৈতিক নয়, কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও গুরুত্ব বহন করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
মূল বিষয়বস্তু:
- আদানির তুরস্ক লগ্নি পরিকল্পনা বাতিল
- ভারতে ‘বয়কট তুর্কি’ ট্রেন্ডের মাঝে নেওয়া সিদ্ধান্ত
- তুরস্কের বাণিজ্যিক সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা
- ভবিষ্যতের ভারত-তুরস্ক বাণিজ্য সম্পর্কে অনিশ্চয়তা
বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের বাজারে তুরস্কবিরোধী মনোভাব যখন দ্রুত বাড়ছে, তখন আদানির মতো শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠীর এই পদক্ষেপ স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে যে ভারতীয় কর্পোরেট দুনিয়া এখন রাজনৈতিক ও জনমতের প্রতিফলন ঘটাচ্ছে। তুরস্কের কিছু রাজনৈতিক মন্তব্য ও ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগের পর এই বয়কটের আবহ তৈরি হয়েছে।
তুরস্কের ভবিষ্যৎ কী?
আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ হারালে তুরস্কের অবকাঠামো ও রপ্তানির উপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব পড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। আদানি গ্রুপের মতো শক্তিশালী বিনিয়োগকারী সরে যাওয়ায় অন্য অনেক সংস্থাও সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
উপসংহার:
আদানির সিদ্ধান্ত শুধু একটি কোম্পানির লগ্নি বাতিল নয়, বরং এটি ভারতের বেসরকারি খাতের পক্ষ থেকে তুরস্কের প্রতি একটি কৌশলগত বার্তা। ভবিষ্যতে এই সিদ্ধান্ত তুরস্কের অর্থনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
