আসামের মার্ঘেরিটা অঞ্চলে কয়লা খনির কার্যক্রম ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ৪০০-এর বেশি শ্রমিক চাকরি হারানোর মুখে পড়েছেন। নর্থ ইস্টার্ন কয়লাখনি (NEC)-এর বেশ কয়েকটি খনি ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে শ্রমিকদের জীবিকা সংকটে পড়েছে।
কয়লা খনির বন্ধ হওয়ার কারণ
২০২০ সালে পরিবেশগত অনুমোদন সংক্রান্ত সমস্যার কারণে NEC-এর ছয়টি খনি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে শুধুমাত্র টিকাক কয়লাখনি চালু রয়েছে, যেখানে সীমিত উৎপাদন চলছে।
শ্রমিকদের দুর্দশা
চাকরি হারানোর ভয়ে অনেক শ্রমিক অবৈধ কয়লা খনিতে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। কিছু শ্রমিক চা ও সবজি চাষে মনোনিবেশ করেছেন, আবার অনেকে দৈনিক মজুরির কাজ খুঁজছেন।
প্রশাসনের পদক্ষেপ
আসাম সরকার কয়লা খনির পুনরায় চালু করার জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়ার চেষ্টা করছে। তিরাপ কয়লাখনি পুনরায় চালুর জন্য জনসভার আয়োজন করা হয়েছে।
