প্রখ্যাত গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ সম্প্রতি তাঁর আমেরিকান নাগরিকত্ব গ্রহণকে কেন্দ্র করে পঞ্জাবের রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই খবর সামনে আসায় রাজনৈতিক চাপানউতোর চরমে পৌঁছেছে। ২০২২ সালে দিলজিৎ আমেরিকান নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন বলে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই আবহে, পঞ্জাবের রাজনীতিতে তাঁকে আনার প্রচেষ্টার পর তাঁর ম্যানেজারের বাড়িতে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ চলছে।
নাগরিকত্বের প্রেক্ষাপট এবং ভারতীয় আইন
ভারতের আইন অনুযায়ী, দ্বৈত নাগরিকত্ব স্বীকৃত নয়। একজন ভারতীয় নাগরিক যদি অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন, তবে তাঁর ভারতীয় নাগরিকত্ব স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। তবে, ভারত সরকার ওভারসিজ সিটিজেনশিপ অফ ইন্ডিয়া (OCI) কার্ডের মাধ্যমে ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিদেশি নাগরিকদের জন্য কিছু সুবিধা প্রদান করে, যা তাঁদের ভারতে দীর্ঘ সময় বসবাস ও কাজ করার অনুমতি দেয়, কিন্তু রাজনৈতিক অধিকার যেমন ভোট দেওয়া বা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অধিকার দেয় না। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে আমেরিকান পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন এবং তাঁর স্ত্রী সন্দীপ কৌরও আমেরিকার নাগরিক। এমনকি, দিলজিৎ এখন OCI কার্ডও ব্যবহার করছেন না, বরং ই-ভিসায় ভারতে যাতায়াত করছেন বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক মঞ্চে দিলজিতের প্রস্তাব এবং প্রত্যাখ্যান
পঞ্জাবের রাজনৈতিক মহলে দিলজিতের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগানোর জন্য বিভিন্ন মহল থেকে তাঁকে রাজনীতিতে আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। সম্প্রতি, অবসরপ্রাপ্ত IAS অফিসার, সেনা আধিকারিক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনেরা একটি প্রথম সারির সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে তাঁকে পঞ্জাবের রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানান। তবে, দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ স্পষ্ট ভাষায় সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন,