প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা অনীক দত্তের আকস্মিক প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্র জগতে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে। তাঁর মৃত্যুর পর থেকেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক, যেখানে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র তাঁর প্রাক্তন স্ত্রীকে মানসিক ক্ষতির জন্য দায়ী করেছেন। একই সময়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানিয়েছেন এবং তাঁর কাজ নন্দনে প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, ফরেনসিক দল তাঁর বাসভবনে তদন্ত শুরু করেছে, যা তাঁর মৃত্যুর পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
অনীক দত্ত: এক প্রতিবাদী শিল্পীর জীবন
অনীক দত্ত বাংলা চলচ্চিত্রের একজন ব্যতিক্রমী ও সাহসী নির্মাতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর কাজগুলো প্রায়শই সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মকতায় পূর্ণ থাকত, যা প্রচলিত ব্যবস্থার প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিত। ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’, ‘আশ্চর্য প্রদীপ’ এবং ‘ভবিষ্যতের ভূত’-এর মতো চলচ্চিত্রগুলি তাঁর স্বতন্ত্র চিন্তাভাবনা এবং সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় বহন করে। তিনি কখনোই আপস করেননি, যার ফলস্বরূপ তাঁর ছবি প্রায়শই সেন্সরশিপ এবং প্রদর্শনে বাধার সম্মুখীন হয়েছে, বিশেষ করে সরকারি প্রেক্ষাগৃহ নন্দনে।
তাঁর স্পষ্টবাদী মনোভাব এবং নির্ভীক মতামত তাঁকে চলচ্চিত্র মহলে এক স্বতন্ত্র পরিচিতি এনে দিয়েছিল। বহুবার তিনি ক্ষমতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন এবং শিল্পকলার স্বাধীনতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। এই কারণেই তাঁর মৃত্যু কেবল একজন শিল্পীর বিদায় নয়, বরং একটি প্রতিবাদের স্বরের নীরবতা।
শ্রীলেখা মিত্রের বিস্ফোরক অভিযোগ ও বিতর্ক
অনীক দত্তের মৃত্যুর পর অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বিস্ফোরক পোস্ট করেন। তিনি প্রয়াত পরিচালকের প্রাক্তন স্ত্রীকে তাঁর মানসিক ক্ষতির জন্য দায়ী করে ক্ষোভ উগরে দেন। শ্রীলেখা তাঁর পোস্টে লেখেন,