গত সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে ফের উত্তাপ ছড়াল যখন রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলকাতার বাসভবনে তল্লাশি অভিযান চালায়। এই ঘটনা ঘটেছিল যখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বাসভবনে উপস্থিত ছিলেন না। তাঁর কর্মীদের তরফে জানানো হয় যে, ‘স্যর নেই, কোথায় জানি না’, যদিও কিছু সূত্রের দাবি ছিল তিনি ‘শান্তিনিকেতনে’ আছেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে ওঠে এবং পরবর্তীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ‘আক্রান্ত’ বলে পরিচিতদের বাড়ি গিয়ে জনসম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেন, যেখানে তাঁকে তীব্র বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও চলমান তদন্ত
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন ইস্যুতে তীব্র মেরুকরণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষত, ভোট-পরবর্তী হিংসা, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, এবং গোরু পাচার ও কয়লা পাচারের মতো ঘটনাগুলি রাজ্য রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই ও ইডি-র পাশাপাশি রাজ্য সিআইডি-ও বিভিন্ন হাই-প্রোফাইল মামলায় তদন্ত চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, যখনই কোনো প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বাড়িতে তদন্তকারী সংস্থার অভিযান হয়, তখনই তা রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সিআইডি-র এই অভিযানকে অনেকেই সেই বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের অংশ হিসেবে দেখছেন। পূর্বেও বিভিন্ন মামলায় তাঁর নাম উঠে এসেছে এবং তাঁকে একাধিকবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
সিআইডি অভিযান ও অভিষেকের প্রতিক্রিয়া
সিআইডি দল যখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছায়, তখন তাঁর কর্মীরা তাদের জানান যে তিনি সেখানে নেই। এই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি একটি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন, বলেন,