Headlines

সাপ নিয়ে রুদ্ধশ্বাস খেলা: রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রের ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শোরগোল

সাপ নিয়ে রুদ্ধশ্বাস খেলা: রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রের ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শোরগোল Photo by Giulia Botan on Pexels

সাপের ছোবল উপেক্ষা করে কেনেডির অকুতোভয় আচরণ

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র সম্প্রতি নিজের বাসভবনের আঙ্গিনায় দুটি জংলি সাপ নিয়ে খেলার সময় সরাসরি ছোবল খেয়েও অবিচল থেকেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওতে দেখা যায়, ৭২ বছর বয়সি কেনেডি ফর্মাল পোশাক পরিহিত অবস্থায় অত্যন্ত সাবলীলভাবে সাপ দুটিকে হাতে জড়িয়ে ধরেছেন। ২৬ মে ২০২৬ তারিখে তার নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করা এই ভিডিওটি মুহূর্তের মধ্যে ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি

ঘটনাটি ঘটে রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রের ব্যক্তিগত বাসভবনে, যেখানে তিনি ড. ওজ-এর প্যাটিও থেকে দুটি ‘ব্ল্যাক রেসার’ (Black Racer) প্রজাতির সাপ সরিয়ে ফেলার সময় এই কাণ্ড ঘটান। ভিডিওতে দেখা যায়, সাপ দুটি বারবার তাকে ছোবল দিলেও তিনি বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি। তার স্ত্রী, শেরিল হাইন্স, পরিস্থিতির তীব্রতায় আতঙ্কিত হয়ে বারবার তাকে সাপগুলো ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করতে থাকেন।

বন্যপ্রাণীর প্রতি কেনেডির দীর্ঘস্থায়ী আকর্ষণ

রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রের বন্যপ্রাণী এবং সরীসৃপের প্রতি অদ্ভুত আগ্রহ কোনো নতুন বিষয় নয়। অতীতে তিনি বাজপাখি পালন থেকে শুরু করে মৃত তিমির মাথা গাড়িতে করে বয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো বিতর্কিত ঘটনার জন্য শিরোনামে এসেছেন। সেন্ট্রাল পার্কে ভালুকের দেহ ফেলার মতো চাঞ্চল্যকর তথ্যও তিনি নিজেই বিভিন্ন সময়ে স্বীকার করেছেন, যা তার ব্যক্তিত্বের একটি অদ্ভুত ও সাহসী দিক হিসেবে পরিচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতামত ও সাপের প্রকৃতি

ফ্লোরিডা মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রির তথ্য অনুযায়ী, কেনেডির হাতে থাকা ‘ব্ল্যাক রেসার’ সাপগুলো মূলত বিষহীন প্রজাতির। যদিও এগুলো সাধারণত আক্রমণাত্মক নয়, তবে বিরক্ত করলে বা ভয় পেলে এরা ছোবল দিতে পারে। বিষধর না হওয়ায় এই ছোবলে বড় ধরনের শারীরিক ক্ষতির আশঙ্কা কম, তবে বন্যপ্রাণীকে এভাবে উত্যক্ত করা কতটা সমীচীন, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পর্যবেক্ষণ

একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার এই ধরনের আচরণ জনমানসে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। আগামী দিনে কেনেডি তার এই অদ্ভুত স্বভাবের কারণে আরও কোনো বিতর্কিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হন কি না, সেদিকেই নজর থাকবে সাধারণ মানুষের। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের আইন এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তার সীমারেখা নিয়ে এই ঘটনাটি নতুন করে আলোচনার পথ প্রশস্ত করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *