Headlines

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলা: রাজনৈতিক তরজা ও অস্থিরতার নতুন মাত্রা

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলা: রাজনৈতিক তরজা ও অস্থিরতার নতুন মাত্রা Photo by Sandeep Kashyap on Pexels

সম্প্রতি সোনারপুরে একটি শোকাহত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন এবং তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। জনরোষের মুখে তাঁকে ‘চোর’ স্লোগান শুনতে হয় এবং ডিম, জুতো ও ঘুষির সম্মুখীন হতে হয়, যা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলে ‘শাসকই ঘাতক’ বলে মন্তব্য করেন, যদিও বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য এই অভিযোগ অস্বীকার করে হিংসা বর্জনের বার্তা দিয়েছেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ঘটনার সূত্রপাত

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বরাবরই সংঘাতময়। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপির মধ্যে প্রায়শই বিভিন্ন ইস্যুতে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায়। সাম্প্রতিক পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং তার পূর্বে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা এই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে, যখন কোনো শীর্ষস্থানীয় নেতার উপর প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা হয়, তখন তা স্বাভাবিকভাবেই জনমানসে এবং রাজনৈতিক মহলে গভীর প্রভাব ফেলে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রধান মুখ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত, তাঁর উপর এই হামলা রাজ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতার একটি নতুন চিত্র তুলে ধরেছে।

হামলার বিস্তারিত বিবরণ ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোনারপুরে এক প্রয়াত দলীয় কর্মীর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁর কনভয় লক্ষ্য করে বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, তাঁকে উদ্দেশ্য করে ‘চোর’ স্লোগান দেওয়া হয় এবং ডিম, জুতো ছুঁড়ে মারা হয়। পরিস্থিতির অবনতি হলে তাঁকে নিজের সুরক্ষায় হেলমেট পরতে দেখা যায়। এমনকি, তাঁর চশমা ভেঙে যায় বলেও তিনি পরে দাবি করেন। এই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা।

ঘটনার পরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই হামলার তীব্র নিন্দা করেন। তিনি তাঁর ফেসবুক পোস্টে সরাসরি বিজেপিকে অভিযুক্ত করে লেখেন, ‘শাসকই ঘাতক’। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, অভিষেকের প্রাথমিক চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ‘ওপরতলার চাপে’ বাধা দেওয়া হচ্ছিল, যার ফলে তাঁকে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে হয়। এই অভিযোগগুলি রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

অন্যদিকে, ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের দলের কোনো যোগ নেই। তিনি উল্টো তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে আঙুল তুলে বলেন,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *