Headlines

পৈতৃক ভিটে দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট, মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ প্রতারিত বৃদ্ধ

পৈতৃক ভিটে দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট, মুখ্যমন্ত্রীর 'জনতার দরবারে' প্রতারিত বৃদ্ধ Photo by Han on Pexels

কলকাতা: ফ্ল্যাট তৈরির জন্য পৈতৃক ভিটে প্রোমোটার জয় কামদারকে দিয়েছিলেন বেহালার এক প্রবীণ ব্যবসায়ী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস এবং সোনা পাপ্পু। কিন্তু ফ্ল্যাট বুঝে না পেয়ে উল্টে ১৭ লক্ষ টাকা দাবি করা হচ্ছে, এই অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ হাজির হন ওই বৃদ্ধ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ভবানীপুরের বাসিন্দা প্রবীর মুখোপাধ্যায় নামের ওই প্রবীণ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানান যে, তিনি তাঁর পৈতৃক ভিটে প্রোমোটার জয় কামদারকে দিয়েছিলেন নতুন করে সংস্কার করে ফ্ল্যাট হস্তান্তরের জন্য। কিন্তু ফ্ল্যাট তৈরি হওয়ার পর তা তাঁকে দেওয়া হয়নি। বরং, তাঁর অভিযোগ, প্রোমোটার ১৭ লক্ষ টাকা দাবি করছেন এবং ভয় দেখানোর জন্য বন্দুকের ব্যবহারও করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সেই প্রোমোটার যে একজন বিখ্যাত শয়তান সেটা বুঝতে পারিনি। তার নাম হচ্ছে জয় কামদার। ওই জয় কামদারের সঙ্গে ছিল পুলিশ অফিসাররা। তার মধ্যে ছিল শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস। আর ছিল সোনা পাপ্পুরা। আমাদের থেকে লিখিতভাবে সবকিছু নিয়েছিল। আমরা আরও ভাইবোন আছি। প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই তাই। ভাল করে সব বুঝিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে ফ্ল্যাট তৈরি হওয়ার আমাদের প্রত্যেককেই প্রতারিত করেছে। আমাদের ফ্ল্যাট দেওয়া হয়নি। উল্টে ১৭ লক্ষ টাকা দাবি করছে। এমনকী বন্দুক দেখিয়ে আমায় ভয় দেখানো হয়েছে যাতে আমি আর কিছু না বলি। আমি আমার মাথার ছাদটা চাইছি। তাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এসেছি।’

উল্লেখ্য, অভিযুক্ত জয় এস কামদার, শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস এবং সোনা পাপ্পু বর্তমানে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে জমি হাতিয়ে নেওয়া, সম্পত্তি মালিককে ভয় দেখানো এবং একাধিক বেআইনি কার্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, এই তিনজন একটি চক্র চালিয়ে এই ধরনের অনৈতিক কাজ করত। বর্তমানে তাঁরা ইডির হেফাজতে রয়েছেন এবং জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সল্টলেকে রাজ্য বিজেপি দফতরে ‘জনতার দরবারে’ মানুষের অভিযোগ শুনছিলেন। সেখানে চাকরিপ্রার্থী সহ বহু সাধারণ মানুষ নিজেদের সমস্যা নিয়ে হাজির হয়েছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *