Headlines

সরকারি জমিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙল বুলডোজার: কোন্নগরে অবৈধ নির্মাণ উচ্ছেদ

সরকারি জমিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙল বুলডোজার: কোন্নগরে অবৈধ নির্মাণ উচ্ছেদ Photo by Boris Hamer on Pexels

কোন্নগর : রাজ্যজুড়ে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসেবে হুগলি জেলার কোন্নগরে ২০ নম্বর ওয়ার্ডে একটি সরকারি জমিতে তৈরি তৃণমূলের পার্টি অফিস ভেঙে দেওয়া হল। একইসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর খোকন পালের একটি অবৈধ নির্মাণও বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনা রাজ্যের পালাবদলের পর অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের একটি ধারাবাহিকতা। এর আগে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক বেআইনি কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়েছে।

রবিবার কলকাতা শহরের কসবা, তিলজলা এবং বেলেঘাটা-সহ তিনটি জায়গায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠেছে যে এতদিন ধরে এই ধরনের অবৈধ নির্মাণ কীভাবে চলছিল এবং কেন তৃণমূল জমানায় কলকাতা পুরসভা এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেয়নি। রাজ্যের নতুন পুরমন্ত্রী এই প্রশ্ন তুলেছেন এবং এর জবাব দিয়েছে তৃণমূলও।

নতুন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, একটি সরু জায়গায় বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে বা বাড়ি করতে দেওয়া হচ্ছে। এটি কি প্রাক্তন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বা তাঁর দলের অজানা ছিল? নাকি তাঁরা জেনেও চুপ ছিলেন? নতুন মন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার গঠনের ১৫ দিনের মধ্যেই এই ধরনের তথ্য সামনে এসেছে এবং যারা এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তাদের শাস্তি হবে।

রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। তাঁর নির্দেশের পরই কলকাতা পুরসভা বুলডোজার নিয়ে অভিযানে নামে।

কলকাতা পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, তিলজলার দুটি বহুতল ভেঙে ফেলা হয়েছে, যেগুলি তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ খানের ছেলে ফৈয়াজ আহমেদ খানের বলে জানা গেছে। জাভেদ খানের অফিসেও নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে তৃণমূল জমানায়, অবৈধ নির্মাণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ। এই নির্মাণগুলি কি সরকারের নজর এড়িয়ে হয়েছে? তবে নতুন বিজেপি সরকার অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই কঠোর মনোভাব গ্রহণ করেছে।

এই উচ্ছেদ অভিযান একদিকে যেমন সরকারি জমি দখলমুক্ত করার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে, তেমনই অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী বার্তা দেবে।

ভবিষ্যতে এই ধরনের অভিযান রাজ্যের অন্যান্য অংশেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *